August 24, 2026, 1:48 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
পানি-বর্জ্য ও জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ বিএনপি মিডিয়া সেলের ডিজিটাল টিমের এক সদস্যকে অব্যাহতি ফারাক্কার সব গেট খুলে দিতে বললেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী বিরোধীদল ৬ মাসে কী কী গুজব-ঘৃণা ছড়িয়েছে তারও মূল্যায়ন দরকার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম বাণিজ্য চুক্তি থেকে বেরিয়ে গিয়ে ট্রাম্পের অভিযোগ, কানাডা ‘অঙ্গরাজ্যে’র সুবিধা চাইছে উসকানি ও প্ররোচনার অভিযোগে শ্যামল দত্তসহ ৩ সাংবাদিক ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগের ‘বালু সাত্তার’ এখন বিএনপির দোসর ঈদে মিলাদুন্নবীর (স.) অনুষ্ঠান মঙ্গলবার উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে চাননি মোদী, ট্রাম্পের ভুলেই ৪৫ মিনিট জেরা!

আওয়ামী লীগের ‘বালু সাত্তার’ এখন বিএনপির দোসর

Reporter Name
  • Update Time : Monday, August 24, 2026
  • 4 Time View

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের যমুনা নদীতে অবৈধ বালু বাণিজ্যের এক বিশাল সিন্ডিকেটের নেপথ্যে উঠে এসেছে আব্দুস সাত্তার ওরফে ‘বালু সাত্তার’-এর নাম। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কাউন্সিলর থাকাকালীন তিনি যে বালু সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেই একই আধিপত্য বজায় রাখতে তিনি বিএনপির ছত্রছায়ায় নিজেকে নতুন করে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলা এবং একাধিক গুরুতর অভিযোগ থাকলেও, রহস্যজনকভাবে তিনি প্রভাবশালী মহলের আনুকূল্য পাচ্ছেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, যমুনা সেতুর নিরাপত্তা ঝুঁকির তোয়াক্কা না করে এবং সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সাত্তারের সিন্ডিকেট যমুনার বিভিন্ন পয়েন্টে ড্রেজিং ও বালু উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে। যমুনা সেতু ও রেল সেতুর পিলারের জন্য এটি মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখা দিলেও, প্রশাসনের একাংশের মৌন সম্মতিতে এই অবৈধ কার্যক্রম থেমে নেই। এমনকি হত্যা মামলার আসামি হয়েও সরকারি বালুমহালের ইজারা লাভ এবং জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যপদ পাওয়া নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, রাজনৈতিক দল পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সাত্তারের রাজনৈতিক আশ্রয়স্থলও বদলে যাচ্ছে, যার ফলে তার অপকর্মের কোনো বিচার হচ্ছে না।

সাত্তারের এই বালু ব্যবসার অর্থের বড় একটি অংশ দিয়ে তিনি বিলাসবহুল রিসোর্ট ও বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। যমুনা নদীর তীরবর্তী সরকারি খাস জমি দখল করে ডকইয়ার্ড নির্মাণসহ তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মামলাও বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা সেতুর কাঠামোগত ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তবে প্রশাসন দায়সারা মন্তব্য করে দায়িত্ব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে বলে ভুক্তভোগীদের দাবি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com