ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক সোহেল রানা ও তাঁর গাড়িচালক মো. আলী হোসেন বাচ্চুর মধ্যে ঘটা অপ্রীতিকর ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আদালতের ভাবমূর্তি ও বিচার বিভাগের প্রতি জনআস্থা অটুট রাখার স্বার্থে সুপ্রিম কোর্ট এ উদ্যোগ নেয়। তদন্তের জন্য ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলামকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, গত ২৩ আগস্ট গাড়ির লগবইয়ের হিসাব নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে বিচারক সোহেল রানা গাড়িচালক বাচ্চুকে মারধর করেন, যার ফলে তাকে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল। তবে ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে, মূলত গাড়ির পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অসন্তোষের কারণে গাড়িচালককে কেবল ভর্ৎসনা করা হয়েছিল।
নিযুক্ত অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাকে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য গ্রহণ, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রাসঙ্গিক নথিপত্র পর্যালোচনা করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে এই প্রতিবেদন সুপ্রিম কোর্টে জমা দিতে হবে, যেখানে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও কোনো বিধি লঙ্ঘন হয়েছে কি না তা স্পষ্ট করা হবে।