July 1, 2026, 7:28 am
সর্বশেষ সংবাদ:
ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপারের মানুষের ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই অভ্যুত্থানে: রিজভী বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা স্বাধীনতার বিরোধিতার দায়ে বিএনপির ক্ষমা চাওয়া উচিত: গোলাম পরওয়ার বিসিবির বর্তমান কমিটিতে ক্রিকেট গতিশীল হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র বিতরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আগামী ৫ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর বাজেট বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় বাধা হবে ব্যাংকিং খাত: জামায়াত এমপি জাতীয় সংসদে আইনজীবীর পোশাকে রুমিন ফারহানা, সংসদে আলোচনা মুক্তিযুদ্ধ থেকে জুলাই অভ্যুত্থানকে আলাদা করার সুযোগ নেই: আখতার হোসেন

বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠাই স্বাধীনতার প্রকৃত লক্ষ্য : ঢাবি উপাচার্য

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, March 29, 2026
  • 80 Time View
108

বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই স্বাধীনতার প্রকৃত লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার মূল চেতনা তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার, ন্যায়বিচার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ভোগ করবে।’

রবিবার (২৯ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনাসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন জাতির সর্বোচ্চ গৌরবের বিষয়।

স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল সামাজিক বৈষম্য দূর করা এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও গণতান্ত্রিক মুক্তি নিশ্চিত করা।’ তিনি উল্লেখ করেন, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন—প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যার কথা স্মরণ করে বলেন, ‘এটি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের ইতিহাসে বর্বরতার নির্মম উদাহরণ হয়ে আছে।’ এ সময় তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা। শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দেন ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন ও সমিতির নেতারা বক্তব্য দেন।

উপাচার্য আরো বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছরের বেশি সময় পার হলেও প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে এখনো ব্যবধান রয়ে গেছে।’ এ ব্যবধান দূর করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা একটি দলগত দায়িত্ব।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘ভবিষ্যতে দেশে আর কোনো বৈষম্য বা স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠিত হবে না এবং নতুন প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস জেনে একটি উন্নত ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।’

উল্লেখ্য, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com