সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ডায়মন্ড জুয়েলারির মান নিয়ে প্রকাশিত নেতিবাচক প্রতিবেদনগুলোর বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সংগঠনের প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ছাড়া পুরো শিল্পকে নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণার ফলে দেশের বৈধ ও নিবন্ধিত ব্যবসায়ীরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। এর ফলে ক্রেতাদের আস্থা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও সংগঠনটি দাবি করেছে।
বাজুসের মতে, দীর্ঘ ১৫ বছরের প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা এই শিল্পে প্রায় ৩৫০টি নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে। বিভ্রান্তিকর এসব প্রতিবেদনের কারণে গ্রাহকরা দেশের পরিবর্তে বিদেশ থেকে অলংকার কেনার দিকে ঝুঁকতে পারেন, যা স্থানীয় অর্থনীতির জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এছাড়া এ খাতের সঙ্গে জড়িত ২৫ থেকে ৩০ হাজার মানুষের জীবিকাও হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
অবশ্য কোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে বাজুস। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে হীরা বা অলংকার বিক্রিতে জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় কঠোর ব্যবস্থা নেবে। একইসঙ্গে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন কোনো রিপোর্ট প্রকাশের আগে যথাযথ তথ্য যাচাই ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া হয়।