রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় আটক সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্যমতে, আসামিদের স্বীকারোক্তি এবং উদ্ধারকৃত এই গহনা মামলার তদন্তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর আসামিদের দেখানো স্থান থেকে গহনাগুলো উদ্ধার করা হয়, যা নিহত শিক্ষকের পরিবারের সদস্যরা পরবর্তীতে শনাক্ত করেছেন।
তদন্ত কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ইয়াবা সেবনের পর নেশাগ্রস্ত অবস্থায় অভিযুক্তরা গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে প্রবেশ করে। ধরাপড়ার ভয়ে তারা প্রথমে গৃহকর্তা এবং পরবর্তীতে একে একে তার স্ত্রী, কন্যা ও ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটিকে ডাকাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্দেশ্যে তারা ঘরবাড়ি তছনছ করে এবং নগদ অর্থ ও গহনা লুট করে। তদন্তে পাওয়া খেজুরের বিচি, পোড়া গহনার অবশিষ্টাংশ এবং ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামাদি এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অকাট্য আলামত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।