নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় দীর্ঘ চার বছর ধরে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে প্রধান ব্যক্তি হলেন কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক বকুল মিয়া। ভুক্তভোগী দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী বর্তমানে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে। ঘটনার প্রেক্ষিতে ছাত্রীর বাবার দায়ের করা মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পুলিশ আবু মিয়া নামে মামলার দ্বিতীয় এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে, তবে ঘটনার মূল হোতা বকুল মিয়া বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সাল থেকে বিভিন্ন সময় ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। স্থানীয় একটি ভাড়া বাসায় বকুল মিয়ার নেতৃত্বে একাধিক ব্যক্তি তাকে জিম্মি করে শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে। গত ১ আগস্ট ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি জানতে পারেন এবং পরে ডাক্তারি পরীক্ষায় ছাত্রীর গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কেন্দুয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আবু মিয়াকে ইতোমধ্যে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর অভিযোগ, অভিযুক্তরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। বর্তমানে পলাতক আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং খুব দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।