বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারকে সহায়তা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন একটি অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত ২৩ আগস্ট মন্ত্রণালয়ের এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগীদের আত্মত্যাগের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদানের অংশ হিসেবেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সভায় জানানো হয়, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে যারা গুম হয়েছেন, পঙ্গুত্ববরণ করেছেন কিংবা বছরের পর বছর মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছেন, তাদের আইনি সুরক্ষা ও চিকিৎসার দায়িত্ব নেবে রাষ্ট্র। সেইসঙ্গে ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদী শাসন যেন আর কোনো পরিবারের ওপর নির্যাতনের খড়গ নামিয়ে আনতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধ ব্যবস্থার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’ সংশোধন করে নতুন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা এবং ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দিতে যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।