সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং বিতর্কিত অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনার মুখে হঠাৎ করেই কর্মস্থল থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছেন চিলমারী নদী বন্দরের বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা পুতুল চন্দ্র রায়। ২০১৯ সালে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির স্কুল ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তার নাম সম্বলিত একটি প্যাড ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই তোলপাড় শুরু হয়। যদিও সেই নথির সত্যতা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে, তবে দায়িত্বশীল পদে থেকে তার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
কর্মকর্তার এমন আকস্মিক অনুপস্থিতিতে বন্দরের প্রশাসনিক কাজের স্থবিরতা এড়াতে বাঘাবাড়ী নদী বন্দরের পোর্ট অফিসার মো. মাহাবুব আলম তায়েফকে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। এদিকে, পুতুল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে চিলমারী বন্দরে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলে বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া অতীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণেও তিনি গণমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। বর্তমানে নিজের অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু না জানালেও, তিনি বদলির জন্য ঢাকায় তদবির চালাচ্ছেন বলে বিভিন্ন সূত্রের দাবি।