যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে আরোপিত কঠোর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার পর ইরানের রাজধানী তেহরানের পেট্রল স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনের চিত্র দেখা গেছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সম্প্রতি ইরানের অর্থনৈতিক সক্ষমতা পুরোপুরি রুদ্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তেহরানের স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ মনে করছেন, এই নতুন নিষেধাজ্ঞার নেতিবাচক প্রভাব শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপরই পড়বে, যা নতুন করে দেশটিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ উসকে দিতে পারে।
নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরানের তেল, প্রযুক্তি, সোনা, বিমান চলাচল এবং নৌপরিবহন খাতের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের প্রায় ৬০টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। যদিও ইরান সরকার দাবি করছে যে তারা দীর্ঘদিন ধরে এই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে এবং তাদের অর্থনীতি এখন অনেকটাই স্বনির্ভর। এদিকে, চীনের মতো দেশগুলো মার্কিন এই একতরফা নিষেধাজ্ঞার তীব্র বিরোধিতা করেছে। বৈশ্বিক বাজারে এই খবরের প্রভাবও দেখা গেছে; ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলার ঝুঁকি কমেছে—এমন ধারণায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।