August 28, 2026, 1:19 pm
সর্বশেষ সংবাদ:
‘ভাগ্যিস প্রেমের নাটক করার বয়স নাই’, আইনি নোটিশে ফারিয়ার কটাক্ষ টার্নওভার করে রাজস্ব সুরক্ষা করতে গিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা দিশাহারা রোমান্টিক নাটক-সিনেমা নিয়ে নোটিশ: ক্ষুব্ধ তারকারা, সংগঠনগুলোর যৌথ প্রতিবাদ চীন-ভারত কোন পক্ষে, নেপালের মন্ত্রী বললেন ‘বাবার জায়গায় মাকে চাই না’ জ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিরোধীদের ক্ষোভ রোহিঙ্গা সংকটের প্রকৃত সমাধান কোথায়? চীন-ভারত কোন পক্ষে, নেপালের মন্ত্রী বললেন ‘বাবার জায়গায় মাকে চাই না’ কিশোরগঞ্জ-জামালপুরের কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্বে তথ্য প্রতিমন্ত্রী সবজির দাম সামান্য কমলেও চিনি-তেল-আটা-ডিমে নাভিশ্বাস ঢাকায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৯১, কোন এলাকা থেকে কতজন

রোহিঙ্গা সংকটের প্রকৃত সমাধান কোথায়?

Reporter Name
  • Update Time : Friday, August 28, 2026
  • 5 Time View

দীর্ঘ প্রায় এক দশক পেরিয়ে গেলেও রোহিঙ্গা সংকটের কোনো টেকসই সমাধান আজও অধরা। ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ভয়াবহ নির্যাতনের মুখে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিলে মানবিক কারণে বাংলাদেশ তাদের স্বাগত জানায়। কিন্তু আন্তর্জাতিক মহলের নানা তৎপরতা ও নিয়মিত ক্যাম্প পরিদর্শনের পরও বাস্তুচ্যুত এই জনগোষ্ঠীর সম্মানজনক প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কার্যত থমকে আছে। সমালোচকদের মতে, কক্সবাজারকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কর্মকাণ্ড মূল সমস্যার চেয়ে মানবিক সহায়তার ওপরই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, যা সংকটকে দীর্ঘায়িত করছে।

রোহিঙ্গা সমস্যার মূলে রয়েছে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও তাদের অনীহা। সমাধান কেবল মিয়ানমারের সঙ্গে ফলপ্রসূ দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব। এক্ষেত্রে চীন, ভারতসহ আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যস্থতা অত্যন্ত জরুরি। কেবল আন্তর্জাতিক ফোরামে বিবৃতি না দিয়ে বরং মিয়ানমারের ওপর কার্যকর কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ এবং তাদের সাথে সরাসরি আলোচনার টেবিলে বসা এখন সময়ের দাবি। অন্যথায়, এটি কেবল মানবিক বিপর্যয় নয়, বরং বাংলাদেশের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে থাকবে।

দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের লক্ষ্যে একটি বহুমাত্রিক রূপরেখা প্রয়োজন, যেখানে সময়াবদ্ধ ও পর্যবেক্ষণভিত্তিক প্রত্যাবাসন পরিকল্পনার পাশাপাশি রাখাইনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা আবশ্যক। একই সঙ্গে, প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোর সহায়তা অব্যাহত রাখা জরুরি যাতে ক্যাম্পে আশ্রিত প্রজন্ম অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে। বাংলাদেশের উচিত আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের আপ্যায়নের চেয়ে কূটনৈতিক দরকষাকষিতে বেশি মনোযোগী হওয়া এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা ও চাপের মাধ্যমে মিয়ানমারকে নিজ নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com