কিশোরগঞ্জের ভৈরবে যুবলীগ নেতা আল-আমিন সৈকতকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ঘটনার তিন দিন পর ভৈরব থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী তানিয়া খানম বাদী হয়ে বুধবার রাতে এই মামলাটি করেন। এজাহারে ৮ জনের নাম সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবার।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার আসামিদের মধ্যে নিহতের চাচা ও তিন চাচাত ভাইও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। গত ২৩ আগস্ট রাতে ভৈরব বাজার এলাকায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আল-আমিনকে মারাত্মক আহত করা হয়। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত আল-আমিন ভৈরব পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর এবং পৌর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ব্যবসায়িক ও সম্পত্তিগত বিরোধ থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, মামলাটি দায়ের হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। তবে বর্তমানে সব আসামি পলাতক থাকায় কাউকে এখনো আটক করা সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া আরও গতি পাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।