July 1, 2026, 3:21 am
সর্বশেষ সংবাদ:
ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপারের মানুষের ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই অভ্যুত্থানে: রিজভী বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা স্বাধীনতার বিরোধিতার দায়ে বিএনপির ক্ষমা চাওয়া উচিত: গোলাম পরওয়ার বিসিবির বর্তমান কমিটিতে ক্রিকেট গতিশীল হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র বিতরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আগামী ৫ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর বাজেট বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় বাধা হবে ব্যাংকিং খাত: জামায়াত এমপি জাতীয় সংসদে আইনজীবীর পোশাকে রুমিন ফারহানা, সংসদে আলোচনা মুক্তিযুদ্ধ থেকে জুলাই অভ্যুত্থানকে আলাদা করার সুযোগ নেই: আখতার হোসেন

পৃথিবীর নরক ইসরাইলের ভূগর্ভস্থ কারাগার ‘রাকেফেত’

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, November 13, 2025
  • 109 Time View
112

মাটির নিচে একটি গোপন কারাগার, রাকেফেত, যেখানে কয়েক হাজার ফিলিস্তিনিকে আটক করে রেখেছিল ইসরাইল। সেখানে কখনোই পৌঁছায় না সূর্যের আলো, আটককৃতরা পর্যাপ্ত খাবার পান না। পরিবার কিংবা বাইরের পৃথিবীর কোনো খবরও তাঁদের কাছে পৌঁছায় না।

ইসরাইলের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ অপরাধীদের আটক রাখার জন্য ১৯৮০-এর দশকের শুরুর দিকে রাকেফেত কারাগার চালু করা হয়। তবে ১৯৮৫ সালে অমানবিক আখ্যা দিয়ে এটি বন্ধও করে দেওয়া হয়। সে সময় কারাগারটিতে বন্দি ছিলেন ১৫ জন।

আইনি সহায়তা দানকারী প্রতিষ্ঠান পাবলিক কমিটি এগেইনস্ট টর্চার ইন ইসরাইল, পিসিএটিআই এর তথ্য মতে কড়া নিরাপত্তাবলয়ে রাখতে হয়, এমন অল্প কিছু বন্দীর জন্য প্রাথমিকভাবে রাকেফেত কারাগার তৈরি করা হয়েছিল। কারাকক্ষ, ব্যায়ামের মাঠ কিংবা আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কক্ষ, সবই মাটির নিচে। ফলে প্রকৃতির আলো ছাড়াই এখানকার বন্দীদের বেঁচে থাকতে হয়।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরাইলের নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির কারাগারটি পুনরায় চালুর নির্দেশ দেন। অক্টোবরে গাজা যুদ্ধবিরতির পর ইসরাইল তাদের আদালতে দোষী সাব্যস্ত ২৫০ জন ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেয়। এ ছাড়া গাজা থেকে আটক ১,৭০০ ফিলিস্তিনিকে ছেড়ে দেয়া হয়।

কারাগার থেকে ছাড়া পাওয়া দুই বন্দী জানান সেখানকার দেয়ালগুলোতে লাগানো ছিলো নজরদারি ক্যামেরা। বেশিরভাগ কক্ষ মরা-পচা পোকামাকড়ে ভরা। কক্ষগুলোতে বাতাস চলাচলের কোনো জায়গা নেই। সেখানকার শৌচাগার এত নোংরা যে তা ব্যবহারের উপযুক্ত নয়।

নিয়মিত শারীরিক নির্যাতন, মুখোশ পরা কুকুর দিয়ে হামলা, প্রহরীদের দিয়ে পায়ের নিচে পিষ্ট করা, অপর্যাপ্ত চিকিৎসা ও প্রায়ই না খাইয়ে রাখার মতো নির্যাতনের শিকার হন বন্দীরা।

দিনের বেলা বন্দীদের কক্ষের বাইরে বের হওয়ার জন্য দেওয়া হয় নামমাত্র সময়। তা-ও মাটির নিচেই একটি ছোট জায়গায়। প্রতিদিন ভোর চারটার দিকে বিছানা সরিয়ে নেন প্রহরীরা। তা ফেরত দেওয়া হয় গভীর রাতে। এ সময়ে বন্দীদের ঘুমাতে হয় শুধুই লোহার খাটে।

পিসিএটিআই এর নির্বাহী পরিচালক তাল স্টেইনার বলেন রাকেফেত কারাগারে মাটির নিচে মাসের পর মাস বন্দী থাকা মানুষগুলো সূর্যের আলোর দেখা না পাওয়া, তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলে। এমন শোষণমূলক ও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে টিকে থাকা কঠিন। এটি শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক ক্ষতিকর

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com